artk
৬ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম

ভ্যাপসা গরমে ঠাণ্ডা পানি খেলেই বিপদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২১০১ ঘণ্টা, বুধবার ১৭ মে ২০১৭


ভ্যাপসা গরমে ঠাণ্ডা পানি খেলেই বিপদ - লাইফস্টাইল

প্রচণ্ড রোদ। ভ্যাপসা গরম। খুব তেষ্টা পেয়েছে। ঘরে ঢুকেই ফ্রিজ থেকে বের করে ঠাণ্ডা পানি ঢক ঢক করে খাচ্ছেন। ভাবছেন না এই ঠাণ্ডা পানি আপনার কী ক্ষতি করছে।

জেনে রাখা ভালো- কেন গরমে বরফ ঠাণ্ডা পানি পান করা উচিত নয়।

যতই গরম পড়ুন না কেন আয়ুর্বেদে ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার ব্যাপারে কড়া নিষেধ রয়েছে। এর ফলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। বিশেষ করে খাবারের সঙ্গে বরফ ঠাণ্ডা পানি বা আইস ড্রিঙ্ক খেলে তা পরিপাকের কাজে বাধা দেয় ও শরীর খারাপ হয়।

হজমে বাধা
বরফ ঠাণ্ডা পানি বা ঠাণ্ডা পানীয় রক্তনালীকে সঙ্কুচিত করে দেয়। হজমে বাধা দেয় ও হজমের সময় প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ শোষণেও বাধা দেয়। সেই সঙ্গেই জলের তাপমাত্রার সঙ্গে সাম্য বজায় রাখতে গিয়ে ডিহাইড্রেশন হয়ে যেতে পারে।

গলা ব্যথা
গরম কালে বরফ ঠাণ্ডা পানি খেলে ঠাণ্ডা লেগে গলা ব্যথা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। ঠাণ্ডা পানি শ্বাসনালীতে মিউকাস জমতে সাহায্য করে। ফলে শ্বাসনালীতে প্রদাহ হয়।

ফ্যাটের পরিপাকে বাধা দেয়
খাওয়ার ঠিক পরেই ঠাণ্ডা পানি খেলে তা খাবারে থাকা ফ্যাট জমিয়ে দিতে পারে। ফলে ফ্যাট হজম হতে বাধা পায় ও শরীরে মেদ হিসেবে জমা হয়। তবে শুধু ঠাণ্ডা পানি নয়, খাওয়ার ঠিক পরই পানি খাওয়া উচিত নয়। অন্তত ৩০ মিনিট দেরি করা উচিত।

হার্ট রেট
কিছু গবেষক জানিয়েছেন, ঠাণ্ডা পানি হার্ট রেট কমিয়ে দিতে পারে। বরফ ঠাণ্ডা পানি দশম কার্নিয়াল নার্ভকে উত্তেজিত করে। এই নার্ভ হার্ট রেট কমিয়ে দেয়।

শক ফ্যাক্টর
ওয়ার্কআউট করার পর খুব গরম লাগে। তখন অনেকেই ঠাণ্ডা পানি খেতে চান। কিন্তু ওয়ার্কআউটের পর ঠাণ্ডা পানি খাওয়া উচিত নয়। জিম এক্সপার্টরা ওয়ার্কআউটের পর গরম পানি খেতে বলেন। কারণ এক্সারসাইজের পর শরীর গরম হয়ে যায়। এই সময় বরফ ঠাণ্ডা পানি খেলে শরীরের তাপমাত্রার সঙ্গে তারতম্যের জন্য পৌষ্টিকনালীতে প্রভাব ফেলে। উপরন্তু, শরীর কিন্তু ঠাণ্ডা পানি শোষণ করতে পারে না। পেটে কষ্টদায়ক যন্ত্রণাও হতে পারে।

নিউজবাংলাদেশ.কম

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য