artk
৬ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১২:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম

বনানীর ধর্ষণ মামলা: সাফাতের গাড়িচালক ও দেহরক্ষী রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৭৪৭ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ১৬ মে ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ০৯০৪ ঘণ্টা, বুধবার ১৭ মে ২০১৭


বনানীর ধর্ষণ মামলা: সাফাতের গাড়িচালক ও দেহরক্ষী রিমান্ডে - কোর্ট-কাচারি

বনানীতে দুই তরুণী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলীকে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকার মহানগর হাকিম লস্কর সোহেল রানা এ আদেশ দেন।

আদালত পুলিশের এসআই আব্দুল মান্নান জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের পরিদর্শক ইসমত আরা অ্যানি তাদের ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে ১০ দিনের হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেন।

শুনানি শেষে মহানগর হাকিম লস্কর সোহেল রানা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিল্লালকে ৪ দিন ও রহমতকে ৩ দিনের হেফাজতে নেয়ার অনুমতি দেন।

দুই আসামির পক্ষে আদালতে রিমান্ড বাতিল চান আইনজীবী হেমায়েত হোসেন মোল্লা।

গত সোমবার রাতে রহমতকে গুলশান থেকে গোয়েন্দা পুলিশ এবং বিল্লালকে নবাবপুর রোড থেকে র‍্যাব গ্রেপ্তার করে। এখনো পলাতক রয়েছেন অপর এক আসামি ইমেকার্স ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ফার্মের স্বত্বাধিকারী নাঈম আশরাফ। এ ছাড়া এই মামলার প্রধান আসামি শাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফ পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

গত ২৮ মার্চ দ্য রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে ৬ মে বনানী থানায় মামলা হয়। ধর্ষণের শিকার এক ছাত্রী শাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, গাড়িচালক বিল্লাল ও অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি করে মামলা করেন।

ধর্ষণের ঘটনায় বনানী থানায় করা ওই মামলার ৯ দিন পর সোমবার রাতে ঢাকার নবাবপুর রোডের একটি হোটেল থেকে বিল্লালকে এবং গুলশান থেকে রহমতকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

এর পাঁচ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে মামলার আসামি সাদমান শাকিফকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাদমান পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে।

এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে সাফাত ও নাঈম দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছিলেন। অন্য তিন জন ছিলেন সহায়তাকারী।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য