artk
১০ বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সোমবার ২৪ এপ্রিল ২০১৭, ৫:৩৯ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

সানাউল্লাহ সাগরের একগুচ্ছ কবিতা

| নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৫৩৭ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ২০ এপ্রিল ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৫৪০ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ২০ এপ্রিল ২০১৭


সানাউল্লাহ সাগরের একগুচ্ছ কবিতা - শিল্প-সাহিত্য

কথাগলি

তোর থেকে বড় জ্যোতিষি এখন আমি। নিজের হাত দেখে বলতে পারি ‘তুমি’পাড়ায় কেমন জ্বলছে গোলাপ। নিভু আলোয় চোখ মেলতে মেলতে বলতে পারি ‘আপনি’অন্ধকারে সাপ কেমন সবুজ!

এবার ধারণা করো- যে ঘরে বিড়াল থাকে না সেই বারান্দায় খালি চেয়ারটা কার!

পথ-ঘাট

বাগানগুলো রাস্তা হতে চাইলো আর ফুলগুলো সব নিরামিশ। মাছের মধ্যে শুধু কইটাই একলা এসে বনের ভর্তুকি দিতে বলে দাঁত দেখালো।

রাস্তাদেরও যে রঙিন দাঁত থাকে সাদা-কালো ফল না দেখলে কখনোই জানা হতো না। শীতের হাটে হাঁস বড় মজার কেমন একটা ওম দেওয়া ঔষধী হয়ে যায়।

তোমার বাড়ির রাস্তাটাও কুকুর হতে চাইলো। কি সব চুরি গেছে তার। উড়োজাহাজে তার খুব ভয়! কোথায় যেন বিষটির ঘাট-ভুলে যাই।

কেন বারবার ভুলে যাই- আমার কোনো এককে তুমি নাই...

 


কফিন

আপনার জন্য তলোয়ার কিনেছি। মুখের গরজে এবার আপনি গাড়ি হয়ে উঠুন। আমি ডেকে ডেকে পথ তুলবো- বিনাবাক্যে সন্ধ্যা থেকে খুলে দেবো শীতকাপড়।

আমার পথ
আপনার পথ-

কোনো এক পথে ফুলছড়িয়ে; কাঁটাকে ডাকবে। তখন আপনি খুচরো হাসি ছুঁড়ে বলে যাবেন-
আমি কোনো ঘ্রাণ নই
আমি কোনো সিঁথি নই
আমি কোনো পুঁথি নই...

আলেফ লায়লা ও মুর্খ কাবলিওয়ালার গল্প

সহজ। খুব সহজ করে বলতে থাকুন। আমি সেই শ্রোতা যার কান আপনাদের জন্যই। যার উচ্চারণ, উঁচু করা গলা এবং নত হয়ে আসা মাথা সবই আপনাদের জন্য। এই সবুজ পথ। এই মস্তক সমান মিছিল। সবটুকু খাওয়ার জন্য প্রস্তুত আমি। আমার চোখ খোলাই থাকে। আমি দেখতে থাকি অনার্যের পা থেকে মুখ-হাত। দেখতে থাকি কাশী থেকে জেরুজালেম। হ্যাঁ আপনি এবং আপনারা বলতেই থাকুন...

নিউজবাংলাদেশ.কম/ এফএ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য