artk
১ ভাদ্র ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বুধবার ১৬ আগস্ট ২০১৭, ৯:০৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম

মদ খেয়ে মাতাল হয়ে চিৎপটাং প্রধান শিক্ষক!

বিদেশ ডেস্ক | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২১৪২ ঘণ্টা, সোমবার ২০ মার্চ ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৩১২ ঘণ্টা, মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০১৭


মদ খেয়ে মাতাল হয়ে চিৎপটাং প্রধান শিক্ষক! - বিদেশ

স্কুলে ক্লাস চলছে। কিন্তু প্রধান শিক্ষক কী করছেন তখন? তিনি কি তার দপ্তরে ব্যস্ত? নাকি অন্য কোথাও?

আসলে প্রধান শিক্ষক সাহেব তখন স্কুলে ছিলেন না। তিনি ছিলেন স্কুলের সামনে রাস্তার ধারে। সেখানে কী করছিলেন তিনি? হুম... মদ খেয়ে মাতাল হয়ে পড়েছিলেন।

প্রধান শিক্ষকের এ হাল দেখে স্থানীয়রা সাংবাদিক ডেকে আনেন। সেখানে জড়ো হন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও। অবশেষে বেচারা শিক্ষাক বড় আকারেই ধরা কেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ভারতের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা ১২টার দিকে ঘটনাটি ঘটে মেদিনীপুরের বেলদার পোক্তপুল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে। অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষকের নাম যুগলকিশোর দলুই। তিনি ওই বিদ্যালয়েরই প্রধান শিক্ষক।

জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক) আমিনুল আহসান জানিয়েছেন, অভিযোগ সত্য প্রমাণ হলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী এবং এলাকাবাসীর অভিযোগ, তখন ক্লাস চলছিল। বাইরে হইচই আর জটলা দেখে কয়েকজন শিক্ষক বেরিয়ে আসেন। জটলা সরিয়ে এগোতেই তাজ্জব হয়ে যান তারা। স্কুলের বাইরে মাটিতে উল্টে পড়ে রয়েছেন তাদেরই প্রধান শিক্ষক যুগলকিশোর। তিনি এতটাই নেশাগ্রস্ত যে উঠে দাঁড়াতে তো পারছেনই না, উপরন্তু সেখানে শুয়ে বেসামাল কথাবার্তাও বলে যাচ্ছেন।

প্রধান শিক্ষকের এ রকম কাণ্ডের কথা শুনে বেরিয়ে আসে ছাত্ররাও। ভিড় জমে যায় তাকে ঘিরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

ক্যামেরা দেখে প্রথমে তিনি বলেন, তুলুন কত ছবি তুলবেন তুলুন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি এ রকম রোজই করেন কি না। উত্তরে প্রধান শিক্ষকের সহাস্য মন্তব্য, হ্যাঁ, ১০০ ভাগ।

প্রধান শিক্ষক জানান, নেশা করতে তিনি খগড়পুরে গিয়েছিলেন। তার পরিচিত এক যুবক সেখান থেকে তাকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে গেছে। কিন্তু হেঁটে আর স্কুলে ঢুকতে পারেননি। স্কুলের সামনেই পড়ে যান।

স্কুলের শিক্ষকরা জানান, দেড় বছর পর তিনি অবসরে যাবেন। বেশির ভাগ দিনই তিনি স্কুলে আসেন না। আর এলে মদ্যপ অবস্থাতেই আসেন। কোনও দায়িত্বই পালন করেন না।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এজে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত