artk
১৩ আষাঢ় ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ২৭ জুন ২০১৭, ৪:৩৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

শুধু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্ব শর্ত নয়

ইকতেদার আহমেদ |
প্রকাশ: ১৫১৫ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১৩৩৪ ঘণ্টা, শুক্রবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭


শুধু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্ব শর্ত নয় - অসম্পাদিত

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনপরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যে বিধান করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে- মেয়াদ অবসানের কারণে সংসদ ভেঙে গেলে ভেঙে যাওয়ার পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এবং মেয়াদ অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভেঙে গেলে ভেঙে যাওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

এ বিধান প্রবর্তনপূর্ববর্তী যে বিধান ছিল তাতে উল্লেখ ছিল- মেয়াদ অবসানের কারণে অথবা মেয়াদ অবসান ব্যতীত অন্য যে কোন কারণে সংসদ ভেঙে গেলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নির্বাচন বিষয়ক শেষোক্ত বিধানটি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে কার্যকর করা হয়। এ বিধানটি বলবৎ থাকাকালীন একটি সংসদের মেয়াদঅন্তে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা ছিল। এ বিধান রহিত পরবর্তী বর্তমানে দলীয় সরকারের অধীন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছে।

দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ দেশে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল। এ সরকার ব্যবস্থাটি ৬ষ্ঠ সংসদের মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়। ৬ষ্ঠ সংসদ নির্বাচন একতরফা ছিল। সে নির্বাচনটিতে ৫ম সংসদের প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগের সাথে একাত্ম হয়ে জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামী অংশগ্রহণ হতে বিরত থাকে। ৬ষ্ঠ সংসদের মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিল পাস পরবর্তী সে সংসদটি ভেঙে দেয়া হলে সকল দলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন ৭ম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ সুগম হয়। তদপরবর্তী ৮ম ও ৯ম সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলকভাবে নির্দলীয় ও সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত হয়।
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত ৯ম সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি যেমন অপরাপর কতিপয় ক্ষুদ্র দলের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, অনুরূপ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী তাদের সমমনা কতিপয় ক্ষুদ্র দলের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এ নির্বাচনটিতে আওয়ামী লীগ ও তার জোটভুক্ত দল তিন-চতুর্থাংশের অধিক আসনে বিজয়ী হয়। ৯ম সংসদে আওয়ামী লীগের এককভাবে দু’তৃতীয়াংশের অধিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটি সে সংসদের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ঘোরতর আপত্তির মুখে একতরফাভাবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অবসান ঘটায়। এরপর ১০ম সংসদ নির্বাচনটি পূর্ববর্তী সরকারের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির বর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনটিতে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের জন্য উন্মুক্ত ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৩টি আসনের প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। অপর ১৪৭টি আসনের নির্বাচন ভোটারদের অনুপস্থিতির কারণে নানামুখী কলুষতায় পরিপূর্ণ ছিল।

এ কথাটি অনস্বীকার্য যে ১০ম সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ছিল না। তাছাড়া সে নির্বাচনকালীন নির্বাচন কমিশন দলীয় সরকারের প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করেনি। এ নির্বাচনটি প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ তার জোটভুক্ত দলসমূহের বর্জনের কারণে অংশগ্রহণমূলক না হওয়ায় ইউরোপ, আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি গণতান্ত্রিক ও উন্নত দেশের কোন নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল এ নির্বাচনটি পর্যবেক্ষণ করেনি। দেশীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মধ্যে যারা মুক্তমনা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার জন্য এ যাবৎকাল পর্যন্ত প্রশংসিত হয়ে আসছিলেন তারাও এ নির্বাচনটি পর্যবেক্ষণ হতে বিরত থাকে।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ এ নির্বাচনটির জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ এবং ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন হলেও আমাদের দেশে দলীয় সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত নির্বাচনসমূহে কোন নির্বাচন কমিশনই দলীয় সরকারের প্রভাবমুক্ত হয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নজির স্থাপন করতে পারেনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অপরাপর নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হলেও রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতিরেকে তার পক্ষে নিজ ইচ্ছায় কোন ব্যক্তিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দানের সুযোগ নেই। সুতরাং দলীয় সরকারের অধীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর আকাঙ্খাই মুখ্য।

বাংলাদেশে ইতোপূর্বে দলীয় সরকারের অধীন যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এর প্রতিটিতেই ক্ষমতাসীন দল বিজয়ী হয়েছে। অপরদিকে দলীয় সরকার বহির্ভুত প্রতিটি নির্বাচনে অব্যবহিত পূর্ববর্তী ক্ষমতাসীন দল পরাভূত হয়েছে। ১৯৯০খ্রিস্টাব্দ পরবর্তী এ দেশে যে দু’টি দল জনগণ কর্তৃক সরকার পরিচালনার দায়িত্ব লাভ করেছে এর একটি হলো আওয়ামী লীগ এবং অপরটি বিএনপি। ১৯৯০ পরবর্তী ৫ম হতে ১০ম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনগুলোর মধ্যে ৫ম, ৭ম, ৮ম ও ৯ম এ চারটির প্রথমোক্তটি কর্মরত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন অস্থায়ী সরকারের অধীন, মধ্যবর্তী দু’টি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিধান অনুযায়ী নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন এবং শেষোক্তটি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত হয়। এ চারটি নির্বাচন তুলনামূলক বিচারে দলীয় সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত যে কোন নির্র্বাচনের চেয়ে গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ ছিল। ৫ম ও ১০ম সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হওয়ার কারণে এ দু’টি নির্বাচন অনিয়ম ও কালিমায় ভরপুর ছিল।

জাতীয় সংসদের যে কোন নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য মর্মে আখ্যায়িত করতে হলে যে বিষয়গুলো বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন তা হলো- (ক) যে সরকারের অধীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে সে সরকার অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে কোন বাধা সৃষ্টি করছে কি-না, (খ) নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে কি-না, (গ) নির্বাচনটি প্রকৃত অর্থেই অংশগ্রহণমূলক কি-না, (ঘ) মনোনয়ন পত্র দাখিলের সময় প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীগণের মধ্যে কেউ ক্ষমতাসীন সরকার দ্বারা সমর্থনপুষ্ট হয়ে বিরোধী প্রার্থীর দ্বারা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন কি-না, (ঙ) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি দলসমূহ স্বাধীনভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পেরেছে কি-না, (চ) কোন বিশেষ দলের প্রার্থীদের ভোট দেয়ার জন্য ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে কি-না, (ছ) ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার ব্যাপারে কোনরূপ ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে কি-না, (জ) ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার সময় কোনভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে কি-না, (ঝ) ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ পরবর্তী স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে কি-না, (ঞ) জাল ভোট প্রদানের ঘটনা ঘটেছে কি-না, (ট) কেন্দ্র দখলের মাধ্যমে বলপূর্বক ব্যালট পেপারে সিল মারা হয়েছে কি-না, (ঠ) ভোট কেন্দ্র হতে বলপূর্বক ব্যালট বাক্স ছিটিয়ে নেয়া হয়েছে কি-না, (ড) বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিগণ এবংনির্বাচন কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিগণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেছে কি-নাএবং (ঢ) দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকগণ স্বাধীনভাবে নির্বাচনী ও ভোটগ্রহণ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করতে পেরেছেন কি-না।

উপরোক্ত বিষয়গুলোর দু’একটি বিচ্ছিন্নভাবে ৫ম, ৭ম, ৮ম ও ৯ম সংসদ নির্বাচনকালীন প্রত্যক্ষ করা গেলেও তা সার্বিকভাবে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বচ্ছতাকে বিঘ্নিত করেনি। দলীয় সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ ও ১০ম সংসদ নির্বাচনে উপরোক্ত বিষয়গুলোর প্রায় সবগুলোই কোন না কোনভাবে পরিলক্ষিত হয়েছে। আর এ কারণে ৬ষ্ঠ ও ১০ম সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হিসেবে ক্ষমতাসীন দলের শিবিরভুক্ত লোক ব্যতীত দেশের জনমানুষের নিকট এবং চিহ্নিত দু’একটি বিদেশি রাষ্ট্র ব্যতীত অপর কোন বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট গ্রহণযোগ্য হয়নি।

৬ষ্ঠ সংসদ নির্বাচনের ন্যয় ১০ম সংসদ নির্বাচন কলুষতাপূর্ণ ও অস্বচ্ছ হওয়ায় এবং অংশগ্রহণমূলক না হওয়ায় এ দেশের জনমানুষের প্রত্যাশা ছিল প্রথমোক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান পরবর্তী যেমন সংসদ অবলুপ্ত করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল অনুরূপ শেষোক্ত নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সংসদ অবলুপ্ত করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে।
কিন্তু নির্বাচন পরবর্তী দশম সংসদ এটির মেয়াদ কালের অর্ধেকেরও অধিক সময় অতিক্রম করার পরও মেয়াদ পূর্ববর্তী আগাম নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে কি-না এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ হতে অদ্যাবধি সুস্পষ্টভাবে কিছুই ব্যক্ত করা হয়নি। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বাণিজ্য সহযোগী অনেক বিদেশি রাষ্ট্রের পক্ষ হতে পরবর্তী সংসদ নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক হয় সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন- শুধু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পূর্ব শর্ত কি-না? এ প্রশ্নে ৬ষ্ঠ ও ১০ম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানকালীন ঘটনাবলি বিবেচনায় নিলে যে চিত্র পাওয়া যায় তাতে দেখা যায়, উভয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ছিল না কিন্তু কলুষতা ও অনিয়মে পরিপূর্ণ ছিল।

সংসদ নির্বাচন বিষয়ক সংবিধানের বর্তমান বিধান বলবৎ থাকলে সংসদ বহাল থাকাকালীন অবস্থায় দলীয় সরকারের অধীন একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত নির্বাচন কতটুকু অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয় সে বিষয়ে এ দেশবাসীর সম্যক ধারণা রয়েছে। দলীয় সরকারের অধীন নির্বাচন কমিশন প্রভাবমুক্ত হয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে যে কাজ করতে সক্ষম এমন প্রমাণ ইতোপূর্বে আমাদের কোন নির্বাচন কমিশন রাখতে সমর্থ হয়নি। সুতরাং সংবিধানের বর্তমান বিধান অনুযায়ী দলীয় সরকারের অধীন এবং দলীয় সরকার কর্র্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনায় যদি একাদশ সংসদ নিবাচন অনুষ্ঠিত হয় সে ক্ষেত্রে এটি অংশগ্রহণমূলক হলেও কোন্ দলের বিজয় নিশ্চিত করবে বোধকরি সে বিষয়টি এ দেশের সচেতন জনমানুষ অনুধাবন করতে সক্ষম। আর তাই শুধুমাত্র অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পূর্ব শর্ত নয় অন্ততঃ এ বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা ও সমৃদ্ধি যেন ব্যহত না হয় সে লক্ষ্যে দেশ ও জাতির সামনে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনটি কিভাবে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হবে এর উপায় উদ্ভাবন জরুরি।

লেখক: সাবেক জজ, সংবিধান, রাজনীতি ও অর্থনীতিবিশ্লেষক

E-mail: iktederahmed@yahoo.com

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত