artk
৩ কার্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বুধবার ১৮ অক্টোবর ২০১৭, ১:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

হিলারির নির্বাচনী তহবিলে চাঁদা
আইনমন্ত্রীর দাবি বিষয়ে ইউনূস সেন্টারের প্রতিবাদ

সিনিয়র রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ২২৫৬ ঘণ্টা, বুধবার ১১ জানুয়ারি ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ০৮৩৭ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারি ২০১৭


আইনমন্ত্রীর দাবি বিষয়ে ইউনূস সেন্টারের প্রতিবাদ - অর্থনীতি

ঢাকা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনী তহবিলে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের “চাঁদা প্রদানের” বিষয়টি তদন্ত করে দেখবেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক এমন দাবির প্রতিবাদ করেছে ইউনূস সেন্টার।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নিকট থেকে, বিশেষ করে দেশের আইনমন্ত্রীর নিকট থেকে এ ধরনের বক্তব্য সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। বিবৃতিতে প্রফেসর ইউনূস কর্তৃক হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনী তহবিলে চাঁদা প্রদানে আইনমন্ত্রীর অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও নির্জলা মিথ্যা বলেও অভিহিত করা।

এতে বলা হয়, কোন প্রচার মাধ্যমেই প্রফেসর ইউনূসের বিরুদ্ধে এরকম কোন অভিযোগ তোলা হয়নি। তিনি কখনোই হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনী তহবিলে কিংবা দেশে বা বিদেশে কারো নির্বাচনী তহবিলে কখনো কোন চাঁদা দেননি। প্রফেসর ইউনূস এই অভিযোগ অস্বীকার করে কোন বিবৃতি দেননি বলে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যও সঠিক নয়।

গত ২০ এপ্রিল ও ৩১ আগস্ট ইউনূস সেন্টারের দু’টি বিবৃতিতে পরিস্কারভাবে বলা হয়, প্রফেসর ইউনূস হিলারি ক্লিনটনকে বা তার নির্বাচনী প্রচারণায় বা ক্লিনটন ফাউন্ডেশনকে কখনোই কোন অর্থ দেননি।

ইউনূস সেন্টারের ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয় যে, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের ওয়েব সাইটে উল্লেখিত উক্ত ফাউন্ডেশনকে প্রদত্ত একমাত্র অর্থ প্রদানের বিষয়টি ছিল গ্রামীণ আমেরিকার, যা ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের প্রতি বছর আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানের জন্য “সদস্যপদ, স্পন্সরশিপ ও কনফারেন্স ফি” ক্যাটেগরিতে দেয়া হয়েছিল। গ্রামীণ আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভিডার জরগেনসেন ওই সব সম্মেলনে যোগদানের জন্য ওই বাৎসরিক চাঁদা ১০ বছর ধরে দিয়েছিলেন। ইউনূস সেন্টারের ওই প্রতিবাদের সাথে জনাব ভিডার জরগেনসেনের বিবৃতিও সংযুক্ত করা হয়েছিল।

গ্রামীণ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের প্রদত্ত অর্থ প্রদানের সাথে প্রফেসর ইউনূসের কোন সম্পর্ক নেই এবং ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের ওয়েব সাইটের কোথাও প্রফেসর ইউনূসের চাঁদা প্রদান সংক্রান্ত কোন তথ্যই নেই বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়।

এতে বলা হয়, দেশের সর্বোচ্চ আইন রক্ষাকারী হিসেবে আইনমন্ত্রী হয় একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জাতির সামনে তার অভিযোগ প্রমাণ করবেন, অথবা তার মিথ্যা বক্তব্যগুলি প্রত্যাহার করে নেবেন।

সম্প্রতি আইন মন্ত্রী বলেন, প্রফেসর ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে এই অনুদান দিয়েছিলেন যা পরবর্তীতে হিলারি ক্লিনটনের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত হয়। আইনমন্ত্রীর মতে, বিষয়টি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলেও প্রফেসর ইউনূস এ বিষয়ে কোন ব্যাখ্যা দেননি। তিনি আরো বলেন, হিলারি ক্লিনটন এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে তার সাথে সুসম্পর্কের সুবাদে প্রফেসর ইউনূস এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামানোর স্বপ্ন দেখছিলেন।

নিউজবাংলাদেশ.কম/এসএ/এএইচকে

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য