৯ ফাল্গুন ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, বুধবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
শিরোনাম

রাসায়নিক পদার্থের আলাদা শিল্পনগরী হচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার | নিউজবাংলাদেশ.কম
প্রকাশ: ১৯১৯ ঘণ্টা, বুধবার ১১ জানুয়ারি ২০১৭ || সর্বশেষ সম্পাদনা: ১১৪৬ ঘণ্টা, বৃহস্পতিবার ১২ জানুয়ারি ২০১৭


রাসায়নিক পদার্থের আলাদা শিল্পনগরী হচ্ছে - জাতীয়

ঢাকা: শিল্প উৎপাদনে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থের জন্য একটি শিল্পনগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

বুধবার ঢাকা জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘উন্নয়ন মেলা-২০১৭’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, “ইতিমধ্যে এ শিল্পনগরীর জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। রাজধানীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রাসায়নিক কারখানাগুলো এতে স্থানান্তর করা হবে।”

এছাড়া, ধোলাইখালের হালকা প্রকৌশল, প্রিন্টিং, প্লাস্টিক এবং অটোমোবাইল শিল্পখাতের জন্যও পৃথক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান শিল্পমন্ত্রী।

ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. সালাহ্ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুনসহ ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বক্তব্য রাখেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে অভ্যন্তরীণ অপরাজনীতি মোকাবেলা করে বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছে। এর স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে ২৭টি আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।”

বর্তমানে জনগণের মাথাপিছু আয় ১৪৭০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছড়িয়ে গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, “পরিকল্পিত শিল্পায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে জাতীয় আয়ে শিল্পখাতের অবদান ৩০ দশমিক ৪২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।”

রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলগুলো লাভজনক করতে সুগার বিট থেকে চিনি, চিনিকলের উপজাত থেকে বায়োগ্যাস ও জৈবসার উৎপাদনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও নীতি সহায়তার কারণে জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব হয়েছে। ২০১৪ ও ২০১৫ সালে হরতাল ও অবরোধের নামে বিএনপি-জামাতের জ্বালাও-পোড়াও স্বত্ত্বেও চাষিপর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ এখন খাদ্য রপ্তানি করছে।”

মন্ত্রী সরকারের উন্নয়ন রোডম্যাপ বাস্তবায়নে সকলের সহায়তা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, তিন দিনব্যাপী এ উন্নয়ন মেলায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসার, আধা-সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মোট ৮০টি স্টল স্থান পায়। এসব স্টলে অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রম, বর্তমান সরকারের আমলে জনকল্যাণে বাস্তবায়িত কর্মসূচি, উন্নয়ন চিত্র এবং সরকারের বিভিন্ন ধরণের সেবা তুলে ধরে।

নিউজবাংলাদেশ.কম/জেএস/একিউএফ

নিউজবাংলাদেশ.কমে প্রকাশিত যে কোনও প্রতিবেদন, ছবি, লেখা, রেখাচিত্র, ভিডিও-অডিও ক্লিপ অনুমতি ছাড়া অন্য কোনও মাধ্যমে প্রকাশ, প্রচার করা কপিরাইট আইনে দণ্ডনীয়।
আপনার মন্তব্য
এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত