artk
৯ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারি ২০১৮, ৪:২১ পূর্বাহ্ণ

শিরোনাম

সংবাদমাধ্যম কি বিদেশমুখী?

মূলধারার সংবাদপত্রে একই বিষয় নিয়ে লেখা দেশি-বিদেশি-প্রবাসী বিশেষজ্ঞদের মতামত/কলামেও নেই বাংলাদেশ। আমজনতার প্রশ্ন হচ্ছে– আমাদের গণমাধ্যমও কি তাহলে বিদেশমুখী হয়ে যাচ্ছে? নাকি আসলেই বাংলাদেশের অবস্থান কোন বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে না? বিজ্ঞদের কী মতামত?

বিজয় দিবসের প্রত্যাশা

বাড়িটার পাশেই রাস্তা, সেই রাস্তা দিয়ে মিলিটারির বহর যাচ্ছে-আসছে। একদিন মিলিটারিরা সেই রাস্তা দিয়ে যাওয়া একটা স্কুটারের সব যাত্রীকে মেরে ফেলল। আমরা দেখতে পাই, স্কুটারের ভেতর থেকে মৃত মানুষগুলোর হাত-পা বের হয়ে আছে

সাম্প্রতিক ভাবনা

সাম্প্রতিক ভাবনা

রোহিঙ্গা শিশুদের দেখে প্রথমেই আমার মনে হয়, এখন তাদের স্কুলে যাওয়ার কথা কিন্তু সেই কথাটি উচ্চারণ করাই মনে হয় একটা উৎকট রসিকতার মতো মনে হবে।

রোহিঙ্গা সংকট: অপ্রত্যাশিত ঝুঁকির মধ্যে বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সংকট: অপ্রত্যাশিত ঝুঁকির মধ্যে বাংলাদেশ

চিকিৎসা ও শিক্ষা গ্রহণের অধিকার থেকে। মৌলিক ও মানবিক সুবিধা থেকে। সম্পত্তি বা ভূমির মালিকানার অধিকারও তাদের ছিলনা। ছিলনা সামাজিক, রাজনৈতিক ও ভোটের অধিকার। চলাফেরা ছিল অধিকতর নিয়ন্ত্রিত। সরকার নির্ধারিত গ্যাটোতেই থাকতে হতো। গ্যাটের বাহিরে যেতে প্রয়োজন হতো সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি। ফিরতে হতো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই। ফিরতে না পারলে কারাগার হয় ঠিকানা।

স্বপ্ন এবং দুঃস্বপ্ন

স্বপ্ন এবং দুঃস্বপ্ন

আমার এই উত্তরে কাজ হল, বুঝতে পারলাম সে মহাখুশি। প্রাইমারি স্কুলে মাস্টারি করার জন্যে তখন আমরা দুজনেই মানসিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি।

বাজাই আমার ভাঙা রেকর্ড

বাজাই আমার ভাঙা রেকর্ড

শুধু তাই নয়, এমন অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে যেখানে প্রত্যেকটা বিভাগ আলাদা করে নিজের বিভাগের পরীক্ষা নেয়। সেই সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিপরীক্ষা দিতে হলে ছেলেমেয়েদের গাট্টি-বোঁচকা নিয়ে দিনের পর দিন থাকতে হয়। তারা কোথায় থাকবে কীভাবে থাকবে সেটি নিয়ে কারও বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই।

শিক্ষক এবং শিক্ষকতা

শিক্ষক এবং শিক্ষকতা

আমি বাচ্চাদের একটুও দোষ দিই না। তাদের জন্য স্কুল কখনো আনন্দময় একটা জায়গা নয় এবং সেই স্কুলের দায়িত্বে যে শিক্ষকরা থাকেন সম্ভবত তাদের নিয়ে বাচ্চাদের কোনো সুখস্মৃতি নেই। কিংবা তারা হয়তো দেখেছে, একজন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার কিংবা পুলিশ অফিসার অনেক দাপটে থাকে। তাদের তুলনায় একজন শিক্ষক থাকেন খুবই দুর্বলভাবে কিংবা দীনহীনভাবে। তাই বড় হয়ে তারা শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখে না।

জীবনের রেলগাড়ি থেমে গেছে

জীবনের রেলগাড়ি থেমে গেছে

কমরেড জসীমউদ্দীন মণ্ডল যৌবনের শুরু থেকেই তেজোদীপ্ত সাহসী যুবক ছিলেন। সেই ১৯৪২ সাল, বিশ্বযুদ্ধ চলছে- সেসময় তিনি রেলে পদোন্নতি পেয়ে স্টিম ইঞ্জিনের ফায়ারম্যান হয়েছেন

এই বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত