artk
৬ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, শনিবার ২১ জুলাই ২০১৮, ১২:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম

ঝালকাঠির ভাসমান পেয়ারার রাজ্য

আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র এ তিন মাস পেয়ারার মৌসুম। এসময় পাকা পেয়ারার মৌ মৌ গন্ধ নিতে এবং সবুজের সমারোহ দেখতে আসে দেশ ও বিদেশের অনেক মানুষ। স্থানটির নাম ভীমরুলী। এটা ভিয়েতনামের কোথাও নয়। বাংলাদেশের দক্ষিণের একটি জেলা ঝালকাঠি

শখের বশে পেয়ারা চাষে সাফল্য

নাটোরের বড়াইগ্রামে পেয়ারা বাগান করে সাফল্যের নজির গড়েছেন ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জিব রোজারিও। ৩ বিঘা জমিতে পেয়ারা বাগান করার ১০ মাস পর থেকেই পেতে করেছেন ফলন। বাজারদরও পাচ্ছেন ভালো।

ঝালকাঠিতে জমজমাট চাক জালের হাট

ঝালকাঠিতে জমজমাট চাক জালের হাট

চিকন সুতা ও বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি। চাকার মতো ঘোরানো যায়, তাই এর নাম চাক জাল। দেখতে অনেকটা ‘বুচনা’ চাঁইয়ের মতো। স্থানীয় লোকজনের কাছে এটি টোনা জাল নামে পরিচিত। বর্ষা মৌসুমে জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে এ জালের বেচাকেনা হয়।

নওগাঁর হাট-বাজারে মাছ ধরার খলশানি বিক্রির ধুম

নওগাঁর হাট-বাজারে মাছ ধরার খলশানি বিক্রির ধুম

বর্ষা ঋতু বাংলাদেশের অন্যতম একটি বিশেষ ঋতু। এই ঋতুতেই আগমন ঘটে রিমঝিম বৃষ্টির। দিনরাত অঝরে ঝরতে থাকে আকাশের বৃষ্টি। নদী-নালা,খাল-বিল ও পুকুর-ডোবা ফিরে পায় তাদের হারানো যৌবন। প্রকৃতিতে লাগে নতুনের ছোঁয়া। এই বৃষ্টি আর বর্ষাকে নিয়ে কালে কালে কত কবি-সাহিত্যিকরা সৃষ্টি করেছে নানা কবিতা, গল্প ও উপন্যাস। তৈরি হয়েছে বিখ্যাত সিনেমা।

বিখ্যাতদের অদ্ভুত কিছু অভ্যাস

বিখ্যাতদের অদ্ভুত কিছু অভ্যাস

সারা দিনের কাজের মাঝে এমন অনেক অবাক করা কাণ্ডই আমরা করে থাকি, যার কোনও ব্যাখ্যা হয় না। কেবল মুদ্রাদোষ বা অভ্যাসের দাস হয়েই সে সব করে ফেলি আমরা। তবে এমন সব অদ্ভুত অভ্যাস কেবল সাধারণ মানুষেরই থাকে তা নয়, বরং বেশ 

ভালো নেই ঝালকাঠির চাই-বুচনার কারিগররা

ভালো নেই ঝালকাঠির চাই-বুচনার কারিগররা

ভালো নেই ঝালকাঠির চাই-বুচনা প্রস্তুতকারীরা। এখানকার খালবিলে এখন আর আগের মতো মাছ মেলে না। তার ওপরে এবছর পানি দেরিতে এসেছে তাই মাছ আরো কম। যে কারণে কমে গছে চাই-বুচনার চাহিদা।

নিউটন-স্মৃতিলতা দম্পতি কচু চাষের মডেল

নিউটন-স্মৃতিলতা দম্পতি কচু চাষের মডেল

পানি কচুর চাষ করে ভাগ্য বদলে যাওয়া কৃষকের নাম নিউটন মন্ডল। তার বাড়ি খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুর ইউনিয়নের ঘোনা মাদারডাঙ্গা গ্রামে।

গড়ে উঠবে ১৭০ ধরনের কৃষিপণ্যের তথ্যভাণ্ডার

গড়ে উঠবে ১৭০ ধরনের কৃষিপণ্যের তথ্যভাণ্ডার

কৃষিপণ্যের তথ্যভাণ্ডার গড়ে উঠলে যে কেউ চাইলে এসব ফসলের তথ্য জেনে নিতে পারবেন। একই সঙ্গে কৃষিভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়ন সহজ ও বাস্তবসম্মত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।